১৫১১ সালে ভারতের উত্তরপ্রদেশের রাজাপুরে তাঁর জন্ম হয়। তাঁর বাবার নাম হাতমা দুবে এবং মায়ের নাম হলসী দেবী।
শৈশবের কঠিন বাস্তব ও সংগ্রাম
জন্মের পরপরই তাঁর পরিবার বড় ধরনের সঙ্কটে পড়ে। শৈশবেই তিনি বাবা-মা উভয়ের স্নেহ থেকে বঞ্চিত হন। চরম অভাব ও প্রতিকূলতার মাঝে তাঁর শৈশব কাটে।
অনাথ জীবন ও সাধুদের আশ্রয়
এক দাসী তাঁকে কুড়িয়ে নিয়ে লালন-পালন করেন। পাঁচ বছর বয়স হওয়ার আগেই সেই দাসীও মারা যান। এরপর তিনি সম্পূর্ণ নিঃসঙ্গ ও অসহায় হয়ে পড়েন। খাদ্যের সন্ধানে তাঁকে দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হয়। পথশিশুর মতো তিনি খুব কষ্টের দিন পার করেন। সাধু-সন্তদের আশ্রয়ে তিনি বেঁচে থাকার সুযোগ পান।
রামভক্তি ও বারাণসীতে প্রথমাংশ
বড় হওয়ার পর তাঁর জীবনে আধ্যাত্মিক পরিবর্তন আসে। তিনি রামভক্ত হিসাবে পুরো জীবন উৎসর্গ করেন। জীবনের একটি বড় সময় তিনি বারাণসীতে কাটান। বারাণসীর গঙ্গার ঘাটে তিনি ধ্যান ও সাধনা করতেন।
সাহিত্য সাধনা ও ঐতিহাসিক সৃষ্টি
সেখানে বসেই তিনি রামচরিতমানস সহ বহু গ্রন্থ লেখেন। বারাণসীর তুলসী ঘাট তাঁর স্মৃতি বহন করে চলেছে। মোগল সম্রাট আকবরের সমসাময়িক ছিলেন এই কবি। ১৬ শতকের শেষের দিকে তিনি হনুমান চালিসা লেখেন।
মন্দির প্রতিষ্ঠা ও জীবনাবসান
বারাণসীতেই তিনি একটি হনুমান মন্দির প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। ১৬২৩ সালে বারাণসীর অসি ঘাটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।